প্রাকৃতিক সুন্দুর্যের আরেক নাম **বাণিয়া দিঘি**। যার দুপাড় ঘিরেই রয়েছে একটি বিশাল রাস্তা। একপাড়ে রয়েছে, সবুজে ঘেরা বাগান। বর্ষায় প্রায় পানিতে পরিপূর্ণ থাকে এটি। গাড়িতে যাওয়ার সময় পথিকের মন কেড়ে নেয় এর সুন্দুর্য। এ দিঘিকে ঘিরে রয়েছে অনেক ইতিহাস ঐতিহ্য। ধারনা করা হয়, *মগ* নামের বিশাল দেহের অধিকারি কোন এক জাতি এই দিঘি খনন করে। এর পাশেই রয়েছে কৃষি জমি, তাই শেছ কার্যের শুবির্দথেই এটি ক্ষনন করা হয়ছে বলে ধরণা করা হয়। স্থানিয় লোকের মুখ থেকে যানা যায় যে, এই দিঘিতে **ছলি** নামক কোন এক দেয় দানবের বসবাস ছিল। কোন এক কারনে শেষ পর্যন্ত এটি এই দিঘি ছেড়ে কুমিল্লার **কমলার দিঘি** নামক এক দিঘিতে চলে যায়। তাদের মতে এটি যে স্থান দিয়ে এই দিঘি ত্যাগ করে সেস্থান আজও মাটি দিয়ে পূর্ণকারা সম্ভব হয়নি। এই দিঘির গবিরতা খুব বেশি নয়। ১০ থেকে ১৫ ফুট গবিরতা বিশিষ্ট এই দিঘিটিতে গ্রীষ্ম কালে পানি থাকে ৫-৮ ফুট। আপনি ছাইলে এই দিঘিটি ভ্রমণ করে আসতে পারেন নৌকার মাধ্যমে। উপভোগ কোরতে পারেন এর মন মাতানো সুন্দুর্য। এর পাশেই রয়েছে গাব গাছের বাগান। যেটি কিনা সত্যি এক বিরল ইতিহাস। এই বাগানে কোন প্রকার যত্ন ছাড়াই যুগ যুগ দরে গাব গাছ বেড়ে উঠেই চলেছে। দিঘির দক্ষিণ পাশে রয়েছে আধুনিক সভ্যতার আরেক নির্দেশন, একটি মসজিদ জেটি কিনা সম্পর্ণ বাহিরের দেশের নকশা অনুযায়ী নির্মাণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে মহিলাদের জন্য জামাতে নামাজ আদায় করার সুব্যবস্থা। আপনি যদি এই স্থান গুলি ভ্রমন কোরতে চান তাহলে আজই চলে আসুন &#নোয়াখীর, #আমিশাপাড়া ইউনিয়নের অন্তরগত #বারাহি নগর গ্রামে।

