news1

Saturday, August 5, 2017

আজ আমি ৭০ প্রায় চুই চুই



 আজ আমি ৭০ প্রায় চুই চুই..........

ভালো থাকার নিয়মটা, সত্যি আমার মনে নেই। আমি ভুলেই গেছি ঠিক কিভাবে ভালো থাকতে হয়। অভিমান করে বলছি না। এটাই সত্যি। সকালের কুয়াশা দেখে যে মানুষটি আমি পরম আনন্দে গা ভাসিয়ে দিতাম। সে মানুষটি আজ আমি সত্যি নির্বাক। রদ্রুরঘন দিন দেখে যেখানে, এই আমি চুটে চলতাম সাফল্যের আনন্দে। সেই আমি আজ, স্তব্ধ। যে মানুষটি আমি, বিকেলের মুহুর্তটাকে নিতাম, একটি বিনোদনের তরীর মত। সেই আমি আজ, খুব ক্লান্ত। যে মানুষটি আমি রাতের জ্যোৎস্না দেখে, স্বপ্নের রাজ্যে হারিয়ে যেতাম। সেই আমি আজ স্বপ্নহীন এক নিষ্প্রাণ মানুষ।
কারন আজ আমি সেই আমি নেই। তখন ছিলাম আমি ২৫ কি ২৬। আজ আমি ৭০ প্রায় চুই চুই। এইত জীবন এইত তার ক্রান্তিকাল। এরিইনাম বার্ধক্যকাল।

Friday, June 30, 2017

বারাহি নগর বাণিয়া দিঘি // Barahi Nagor Baniya Dighi




প্রাকৃতিক সুন্দুর্যের আরেক নাম **বাণিয়া দিঘি**। যার দুপাড় ঘিরেই রয়েছে একটি বিশাল রাস্তা। একপাড়ে রয়েছে, সবুজে ঘেরা বাগান। বর্ষায় প্রায় পানিতে পরিপূর্ণ থাকে এটি। গাড়িতে যাওয়ার সময় পথিকের মন কেড়ে নেয় এর সুন্দুর্য। এ দিঘিকে ঘিরে রয়েছে অনেক ইতিহাস ঐতিহ্য। ধারনা করা হয়, *মগ* নামের বিশাল দেহের অধিকারি কোন এক জাতি এই দিঘি খনন করে। এর পাশেই রয়েছে কৃষি জমি, তাই শেছ কার্যের শুবির্দথেই এটি ক্ষনন করা হয়ছে বলে ধরণা করা হয়। স্থানিয় লোকের মুখ থেকে যানা যায় যে, এই দিঘিতে **ছলি** নামক কোন এক দেয় দানবের  বসবাস ছিল। কোন এক কারনে শেষ পর্যন্ত এটি এই দিঘি ছেড়ে কুমিল্লার **কমলার দিঘি** নামক এক দিঘিতে চলে যায়। তাদের মতে এটি যে স্থান দিয়ে এই দিঘি ত্যাগ করে সেস্থান আজও মাটি দিয়ে পূর্ণকারা সম্ভব হয়নি। এই দিঘির গবিরতা খুব বেশি নয়। ১০ থেকে ১৫ ফুট গবিরতা বিশিষ্ট এই দিঘিটিতে গ্রীষ্ম কালে পানি থাকে ৫-৮ ফুট। আপনি ছাইলে এই দিঘিটি ভ্রমণ করে আসতে পারেন নৌকার মাধ্যমে। উপভোগ কোরতে পারেন এর মন মাতানো সুন্দুর্য। এর পাশেই রয়েছে গাব গাছের বাগান। যেটি কিনা সত্যি এক বিরল ইতিহাস। এই বাগানে কোন প্রকার যত্ন ছাড়াই যুগ যুগ দরে গাব গাছ বেড়ে উঠেই চলেছে। দিঘির দক্ষিণ পাশে রয়েছে আধুনিক সভ্যতার আরেক নির্দেশন, একটি মসজিদ জেটি কিনা সম্পর্ণ বাহিরের দেশের নকশা অনুযায়ী নির্মাণ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে মহিলাদের জন্য জামাতে নামাজ আদায় করার সুব্যবস্থা।  আপনি যদি এই স্থান গুলি ভ্রমন কোরতে চান তাহলে আজই চলে আসুন &#নোয়াখীর, #আমিশাপাড়া ইউনিয়নের অন্তরগত #বারাহি নগর গ্রামে।

Monday, May 22, 2017

কবর-দাহ নয়, মৃতদেহ 'গলিয়ে ফেলার' নতুন সৎকার পদ্ধতি(BBC বাংলা)

মানুষের মৃত্যুর পর ধর্মবিশ্বাস অনুযায়ী মৃতদেহটিকে কবর দেয়া হয়, বা দাহ করা হয়। বহু প্রাচীন কাল থেকে বিভিন্ন সভ্যতায় এটাই চলে আসছে।
কিন্তু আমেরিকা এবং কানাডায় নতুন এক বিকল্প চালু হয়েছে - যাকে বলা হচ্ছে 'এ্যালকালাইন হাইড্রোলাইসিস' - যার মূল কথা হলো একটি ক্ষারজাতীয় তরলের মধ্যে মৃতদেহটি দ্রবীভূত করে ফেলা।
কিছুদিনের মধ্যেই মৃতদেহ সৎকারের এ পদ্ধতি ব্রিটেনে চালু করা হবে।
অনেকে একে বলছেন পরিবেশ-বান্ধব সৎকার বা 'গ্রিন ক্রিমেশন' - যাতে কবরের জন্য জায়গা খরচ হবে না, মৃতদেহ পোড়ানোর জন্য কাঠ, আগুন বা ধোঁয়া বা বিদ্যুত খরচের ঝামেলাও থাকবে না।


Wednesday, April 12, 2017

ফাঁস হওয়া প্রশ্ন সমাধান করার সময় আটক


copy from: prothom-alo


রাজধানীতে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষাকেন্দ্র-সংলগ্ন রেস্তোরাঁ থেকে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক করা সিফাত জেসমিন নূর ঢাকার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্ভিদবিজ্ঞানের শিক্ষক। অপরজন মেহেদী হাসান রাজধানীর একটি কলেজের শিক্ষার্থী। তাঁদের মোহাম্মদপুর থানায় নেওয়া হয়েছে।

পুলিশের দাবি, আটক হওয়া দুজন ফেসবুকে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন মোবাইল ফোনে সমাধান করছিলেন। এ সময় সাদাপোশাকে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আশপাশে ছিলেন। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর ফেসবুকে পাওয়া প্রশ্নের উত্তর সমাধান করার সময় ধরা পড়েন ওই দুজন। তাঁরা দুজন পৃথক দুটি গ্রুপে ছিলেন।
কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জেল হোসেন তাঁদের জেরা করেন। মেহেদী হাসানের মোবাইল থেকে ‘আর কে রাহাত’ নামের এক আইডি পাওয়া যায়।

মমতার মাথা কেটে আনলে পুরস্কার ১১ লাখ রুপি


copy from: -prothom-alo

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা কেউ কেটে আনলে, ‘পুরস্কার’ হিসেবে তাঁকে ১১ লাখ রুপি দেবেন ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) যুবনেতা যোগেশ ভার্সনে। এমনই এক মন্তব্য করে ভারতজুড়ে নিন্দার মুখে পড়েছেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার উত্তর প্রদেশের আলীগড়ে যোগেশ ভার্সনে বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা যে কেটে আনবে, ওই ব্যক্তিকে আমি ১১ লাখ রুপি পুরস্কার দেব।’ তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে মমতা তাঁর রাজ্যে সরস্বতী পূজা করতে দেন না, রামনবমী ও হনুমানজয়ন্তীতে সমাবেশ করতে দেন না। তিনি মুসলমান সম্প্রদায়ের তোয়াজ করে যাচ্ছেন। তাই তিনি চরম শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।
রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় গতকাল মঙ্গলবার হনুমানজয়ন্তী পালন করে বিজেপি। তবে পশ্চিমবঙ্গের সিউড়িতে অনুমতি না নিয়ে মিছিল করায় পুলিশ বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের ওপর লাঠিপেটা করে। আর এতেই ক্ষিপ্ত হন যোগেশ। লাঠিপেটার ঘটনার ভিডিও দেখে তিনি নাকি অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন।
পরে যোগেশ বলেন, ‘যেভাবে হনুমানভক্তদের ওপর লাঠি চালানো হয়েছে, কারও মধ্যে মানবতার এতটুকুও অবশিষ্ট থাকলে বুঝবে, এভাবে কাউকে মারা যায় না। আমি বুঝতে পারি না, মমতা ইফতার পার্টির আয়োজন করেন। সব সময় মুসলমানের পাশে থাকেন। হিন্দুরা কি মানুষ না?’
হনুমানজয়ন্তী উপলক্ষে ওই দিন সকালে সিউড়ির বড়বাগান থেকে মিছিল বের করেন শতাধিক মানুষ। পুলিশের কাছ থেকে এ মিছিল করার অনুমতি নেওয়া হয়নি। মিছিল না করতে বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষকে অনুরোধ করেছিল প্রশাসন। তারপরও মিছিল করা হয়। এবং একটা সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে তাতে বাধা দেয় পুলিশ। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিপেটাও করা হয়। সেই ঘটনার ভিডিও দেখেই যোগেশ ওই মন্তব্য করেন। লাঠিপেটার জন্য তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দায়ী করেছেন। খবর: এনডিটিভি অনলাইন।